সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:১৫ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২৬

শান্তি আলোচনা অনিশ্চিত, তেহরানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পাকিস্তান

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনা ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনো তেহরানের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পায়নি পাকিস্তান, ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি স্থবির হয়ে আছে।মঙ্গলবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, পরিস্থিতি জটিল হলেও কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে ইসলামাবাদ। তিনি বলেন, সংলাপের পরিবেশ তৈরি রাখতে […]

শান্তি আলোচনা অনিশ্চিত, তেহরানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনা ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনো তেহরানের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পায়নি পাকিস্তান, ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি স্থবির হয়ে আছে।
মঙ্গলবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, পরিস্থিতি জটিল হলেও কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে ইসলামাবাদ। তিনি বলেন, সংলাপের পরিবেশ তৈরি রাখতে পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, তবে শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ভর করছে ইরানের সিদ্ধান্তের ওপর। বিশেষ করে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সময়সীমা দ্রুত শেষের দিকে চলে আসায় তেহরানের অবস্থানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ভিন্ন সুর পাওয়া গেছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য চুক্তি না হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে এবং এই বিরতির সময়টাকে সামরিক প্রস্তুতি জোরদারে ব্যবহার করা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আবারও সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তার মতে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—উভয় পক্ষকেই কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার ইসলামাবাদে নিযুক্ত মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স নাতালি বেকারের সঙ্গে এক বৈঠকেও একই বার্তা তুলে ধরেন ইসহাক দার। সেখানে তিনি যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়িয়ে শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অনুরোধ জানান।
তবে এখনো ইরানের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট সাড়া না আসায় ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত এই আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিতই রয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে—সংলাপের পথ খুলবে, নাকি পরিস্থিতি আবারও সংঘাতের দিকে গড়াবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ