সৌদি আরবের বাদশাহর পক্ষ থেকে ‘কিং সালমান হিউমেনিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ এর মাধ্যমে পাঠানো ৫২০ কার্টন খেজুর ঢাকা থেকে কুমিল্লা পৌঁছানোর পর ৫০০ কার্টনে নেমে এসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাকি ২০ কার্টন খেজুর কোথায় গেল—তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে সমালোচনা। গত ৮ মার্চ সোমবার কুমিল্লা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. জাবেদ আলী […]
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের বাদশাহর পক্ষ থেকে ‘কিং সালমান হিউমেনিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ এর মাধ্যমে পাঠানো ৫২০ কার্টন খেজুর ঢাকা থেকে কুমিল্লা পৌঁছানোর পর ৫০০ কার্টনে নেমে এসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাকি ২০ কার্টন খেজুর কোথায় গেল—তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে সমালোচনা।
গত ৮ মার্চ সোমবার কুমিল্লা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. জাবেদ আলী জেলার ১৭টি উপজেলায় জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৫০০ কার্টন খেজুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠান।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখার এক চিঠিতে দেখা যায়, উপজেলাগুলোতে মোট ৫০০ কার্টন খেজুর বিতরণ করা হয়েছে। তবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
এ বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। ফেসবুকে তানিম আহমেদ নামে একজন লেখেন, সৌদি বাদশাহর দেওয়া খেজুর ঢাকা থেকে কুমিল্লায় পৌঁছাতে যদি ২০ কার্টন উধাও হয়ে যায়, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. জাবেদ আলী বলেন, ‘আপনি কী বলতে চান? আমি ৫০০ কার্টন খেজুর পেয়েছি। ওয়েবসাইটে নম্বর রয়েছে, সেখানে ফোন দিয়ে ডিজিকে জিজ্ঞেস করতে পারেন কুমিল্লায় কত কার্টন খেজুর পাঠানো হয়েছে। আমাদের কাছে ঢাকা থেকে ৫০০ কার্টন এসেছে। চিঠি পরিবর্তন করা হয়েছে, তবে ওয়েবসাইটে এখনো তা আপডেট করা হয়নি।’
এ ব্যাপারে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তা পাঠিয়েও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।