ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকেই রিটার্নিং অফিসাররা ফলাফল সংকলন শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, পোস্টাল ব্যালট গণনায় কিছুটা সময় লাগলেও ফল প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়া কোনোভাবেই দীর্ঘায়িত হবে না। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিদেশি সংবাদকর্মীদের জন্য স্থাপিত মিডিয়া সেন্টারের […]
ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকেই রিটার্নিং অফিসাররা ফলাফল সংকলন শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, পোস্টাল ব্যালট গণনায় কিছুটা সময় লাগলেও ফল প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়া কোনোভাবেই দীর্ঘায়িত হবে না।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিদেশি সংবাদকর্মীদের জন্য স্থাপিত মিডিয়া সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ইসি সচিব।
তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলে ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ফলাফল সংকলন বা কনসলিডেশনের কাজ শুরু হবে। এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসাররা ইতোমধ্যেই সময়সূচি ঘোষণা করেছেন। ফলে ফল প্রকাশে কোনো অযথা বিলম্ব হবে না।
ইসি সচিব জানান, ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। একটি আসনের প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনের ভোট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। তবে বাকি ২৯৯টি আসনের সব ব্যালট পেপার এবং প্রয়োজনীয় নির্বাচন উপকরণ সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেগুলো সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছেও পাঠানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ যুগান্তকারী মুহূর্তে প্রবেশ করবে এবং গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হবে।
ভোটার তালিকা সংশোধন প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, তালিকায় অনেক ত্রুটি ছিল, যেগুলো সংশোধনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে শতভাগ নির্ভুল তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে—এ দাবি তিনি করেননি।
তরুণ ভোটারদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাদের সবাইকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মোবাইল ফোন এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভোটারদের মধ্যে কোনো ধরনের অসন্তোষ যাতে না তৈরি হয়, সে জন্য এই নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হয়েছে।