যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক ১৫ দিনের সংঘাতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে থাকা একাধিক যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। তবে এ দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। শনিবার দেশটির আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক ১৫ দিনের সংঘাতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে থাকা একাধিক যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। তবে এ দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
শনিবার দেশটির আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি এ দাবি করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ৮ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত পরিচালিত সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটিতে থাকা একাধিক আকাশযান লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তিনি দাবি করেন, হামলায় মোট ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে।
মোহেব্বি আরও বলেন, ধ্বংস হওয়া সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ১৭টি গোয়েন্দা নজরদারি ও অপারেশনাল ড্রোন, যার মধ্যে আটটি ছিল নতুন। এছাড়া একটি সুরক্ষিত হ্যাঙ্গারে রাখা একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, একটি পি-৮ সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি সি-১৭ সামরিক পরিবহন বিমান এবং আটটি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (এরিয়াল রিফুয়েলিং) বিমানও ধ্বংস হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তার দাবি, এসব আকাশযান মাটিতে অবস্থান করার সময় হামলার শিকার হয়। তবে কোন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।
ইরানের এই দাবির স্বাধীনভাবে কোনো আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর বা অন্য কোনো মার্কিন কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি ও সামরিক বক্তব্যের মধ্যে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য অনেক ক্ষেত্রেই স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: আনাদোলু, তাসনিম নিউজ এজেন্সি