বাংলাদেশের ডিজিটাল সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গ্লোবাল টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিবেদক এবং ইউনাইটেড মিডিয়া ফোরাম (ইউএমএফ)-এর আহবায়ক আনজাম খালেক। তার স্পেশাল রিপোর্টিংয়ের অসাধারণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেওয়া হয়েছে “ডিজিটাল মিডিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫”। শনিবার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হাইটস নামক অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আনজাম খালেককে এই সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার প্রদান […]
বাংলাদেশের ডিজিটাল সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গ্লোবাল টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিবেদক এবং ইউনাইটেড মিডিয়া ফোরাম (ইউএমএফ)-এর আহবায়ক আনজাম খালেক। তার স্পেশাল রিপোর্টিংয়ের অসাধারণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেওয়া হয়েছে “ডিজিটাল মিডিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫”। শনিবার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হাইটস নামক অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আনজাম খালেককে এই সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এই পুরস্কারটি ডিজিটাল মিডিয়া ফোরাম (ডিএমএফ) আয়োজন করে, যা দেশের অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা ও কনটেন্ট নির্মাণে উৎকর্ষতা এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ফোরাম প্রতিনিয়ত ডিজিটাল সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও নতুন ধারার কনটেন্ট তৈরিতে সাহায্য করে থাকে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, যিনি আনজাম খালেকসহ অন্যান্য বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ। এছাড়াও গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর পরিচালক ড. রাশিদ আহমেদ হোসাইনি, প্রথম আলোর চিফ ডিজিটাল বিজনেস অফিসার জাবেদ সুলতান পিয়াস, জিটিভির হেড অব মার্কেটিং ফেরদৌস নাঈম পরাগ এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট উপস্থাপক ডা. তৃণা ইসলাম ও ফয়সাল তিতুমীর।
এই বিশেষ আয়োজনে আনজাম খালেক ছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৬ জন সাংবাদিক ও নির্মাতাকে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়া ২৮ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জুরি স্পেশাল অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত করা হয়, যা বাংলাদেশে ডিজিটাল মিডিয়ার গতিশীলতা ও উন্নয়নের এক স্বাক্ষর।
ডিজিটাল মিডিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড দেশের ডিজিটাল সাংবাদিকতা খাতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এটি শুধু সাংবাদিকদের প্রেরণা জোগায় না, বরং ডিজিটাল কনটেন্টের গুণগত মান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। পাঠক, দর্শক, এবং ডিজিটাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের জন্যও এর গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এর মাধ্যমে তারা আরও উন্নত, তথ্যবহুল ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেতে পারেন।
বাংলাদেশের rapidly growing digital media landscape-এ এই ধরনের স্বীকৃতি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কিভাবে সমাজের সেবা দেওয়া যায়, তা এই পুরস্কার আয়োজন থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়।