সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

USCIS
১:১০ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিল করছে ট্রাম্প প্রশাসন

অভিবাসী, শরণার্থী ও অন্যান্য কর্মসূচির জন্য কংগ্রেসের অনুমোদিত ৮১০ মিলিয়ন ডলার তহবিল বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। অর্থবছর শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে এই পদক্ষেপ নেওয়ায় কংগ্রেসের সঙ্গে প্রশাসনের নতুন করে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ, প্রায় ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার, স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের (HHS) […]

অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিল করছে ট্রাম্প প্রশাসন

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

অভিবাসী, শরণার্থী ও অন্যান্য কর্মসূচির জন্য কংগ্রেসের অনুমোদিত ৮১০ মিলিয়ন ডলার তহবিল বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। অর্থবছর শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে এই পদক্ষেপ নেওয়ায় কংগ্রেসের সঙ্গে প্রশাসনের নতুন করে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ, প্রায় ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার, স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের (HHS) শরণার্থী ও প্রবেশকারী সহায়তা কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ ছিল। এই অর্থ শরণার্থী, আশ্রয়প্রার্থী এবং অন্যান্য যোগ্য অ-নাগরিকদের বিভিন্ন সহায়তা দিতে ব্যবহৃত হওয়ার কথা ছিল।

হোয়াইট হাউসের নথিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এসব কর্মসূচিতে অতিরিক্ত অর্থ রয়েছে। প্রশাসনের দাবি, বরাদ্দ বাতিলের মাধ্যমে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সরকারি ব্যয় কমানো হবে।

৮১০ মিলিয়ন ডলারের প্যাকেজে অভিবাসী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য শিক্ষা বিভাগের ২৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিদেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা বা শিক্ষাদানের জন্য ৭০ মিলিয়ন ডলারের কর্মসূচিও রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য গবেষণা ও আবাসন সহায়তার কিছু অর্থও বাতিলের তালিকায় রয়েছে।

এই অর্থ বাতিলের প্রক্রিয়ায় প্রশাসন ‘পকেট রেসিশন’ নামে একটি বিরল পদ্ধতি ব্যবহার করছে। সাধারণত কংগ্রেস অনুমোদিত অর্থ বাতিল করতে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিতে হয় এবং আইন অনুযায়ী আইনপ্রণেতাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় থাকে। কিন্তু অর্থবছর শেষ হওয়ার ঠিক আগে অর্থ আটকে রেখে এই সময়সীমা পার করার সুযোগ তৈরি হয়।

কংগ্রেসের কয়েকজন শীর্ষ আইনপ্রণেতা এই পদক্ষেপের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সিনেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটির চেয়ারম্যান সুসান কলিন্সসহ আইনপ্রণেতারা অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের অনুমোদিত অর্থ তাদের অনুমতি ছাড়া বাতিল করা হলে তা সরকারের ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সাংবিধানিক ক্ষমতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, তারা আমেরিকান নাগরিকদের স্বার্থে অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর সরকারি ব্যয় কমানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

৮১০ মিলিয়ন ডলারের এই অর্থবাতিলের উদ্যোগ এমন সময়ে নেওয়া হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ অর্থবছর ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে। ফলে অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই এ অর্থের ভবিষ্যৎ নিয়ে কংগ্রেস ও প্রশাসনের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ