ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে তাকে দেশে এসে পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার চ্যালেঞ্জও জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র […]
ছবি: সংগৃহীত
ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে তাকে দেশে এসে পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার চ্যালেঞ্জও জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
শেখ হাসিনার উদ্দেশে তিনি বলেন, তিনি কেন দেশের বাইরে থাকবেন—দেশে ফিরে আসা উচিত। বিদেশে যেসব নেতাকর্মী বা সহযোগীকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তাদের নিয়েই দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি।
গয়েশ্বর বলেন, ‘আপনি আসেন, আপনি কেন দেশের বাইরে থাকবেন? আপনি যত চোর নিয়ে বিদেশে গেছেন, সব চোর নিয়ে একবারে ঢাকায় আসেন। বাংলাদেশে আসেন। জনগণ আপনাদের দেখতে চায়।’
শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ অপেক্ষা করছে, আবার আসিব ফিরে। আমার আপা ঘন ঘন আওয়াজ দেন, তিনি আসবেন। সাহস থাকলে আসিয়া পড়েন।’
জিয়া মঞ্চের উত্থান প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে দলের অনেক সক্রিয় নেতা-কর্মী পদবঞ্চিত হয়েছেন।
তার দাবি, পদবঞ্চিত এসব নেতা-কর্মীর একটি অংশ জিয়া মঞ্চে সংগঠিত হয়েছেন এবং সংগঠনটি তাদের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার একটি জায়গা করে দিয়েছে।
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র এখনো চলমান এবং এ বিষয়ে দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে এবং জনগণের আস্থা নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। তবে এই সরকার গঠনকে তিনি শুধু ক্ষমতায় আসার বিষয় হিসেবে দেখছেন না; বরং বড় দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।
গয়েশ্বরের ভাষ্য, জনগণের আস্থা ধরে রেখে সরকার পরিচালনা করা এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা এখন বড় দায়িত্ব। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা এবং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।