সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

ধর্ম
১:১৮ পিএম, ২৬ মে ২০২৬

আরাফাত ময়দানে লাখো মুসল্লি, বুধবার ঈদ উদযাপন করবেন হাজিরা

পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা পালনে আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন ১৬ লাখের বেশি মুসল্লি। আগামীকাল বুধবার (২৭ মে) উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। জিলহজ মাসের নবম দিনের ভোর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজিরা আরাফাতের ময়দানে জড়ো হতে শুরু করেন। ইহরামের সাদা পোশাকে লাখো মুসল্লি সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্ধারিত সীমানার মধ্যে […]

আরাফাত ময়দানে লাখো মুসল্লি, বুধবার ঈদ উদযাপন করবেন হাজিরা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা পালনে আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন ১৬ লাখের বেশি মুসল্লি। আগামীকাল বুধবার (২৭ মে) উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা।

জিলহজ মাসের নবম দিনের ভোর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজিরা আরাফাতের ময়দানে জড়ো হতে শুরু করেন। ইহরামের সাদা পোশাকে লাখো মুসল্লি সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্ধারিত সীমানার মধ্যে অবস্থান করে ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, তওবা ও দোয়ায় সময় কাটান।

ইসলামি শরিয়তে আরাফাতে অবস্থান বা ‘উকুফে আরাফা’ হজের মূল রুকন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত। আরাফাতে উপস্থিত না থাকলে হজ পূর্ণ হয় না।

দুপুরে হাজিদের উদ্দেশে খুতবা দেন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। বাংলাসহ বিশ্বের ৩৫টি ভাষায় অনূদিত এ খুতবায় শরিয়াভিত্তিক জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, মানবিক মূল্যবোধ ও বিশ্বশান্তির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

খুতবা শেষে হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন। এরপর সূর্যাস্তের পর তারা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করবেন এবং মিনায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের জন্য নুড়ি সংগ্রহ করবেন।

আগামীকাল ১০ জিলহজ মিনার জামারায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি করবেন হাজিরা।

পরে হাজিরা কাবা শরিফে ফিরে তাওয়াফ ও সাঈ সম্পন্ন করবেন। হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বিদায়ী তাওয়াফের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের হজ কার্যক্রম।

এদিকে হাজিদের নিরাপদ যাতায়াত ও সেবা নিশ্চিত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। হাজিদের পরিবহনে ব্যবহার করা হচ্ছে প্রায় ২৪ হাজার বাস। পাশাপাশি নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও জরুরি সহায়তায় নিয়োজিত রয়েছে হাজার হাজার কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ