যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রোস্টেট ক্যানসার আরও ছড়িয়ে পড়েছে। রোগটি শরীরের বিভিন্ন অংশে মেটাস্টেসিস ঘটিয়ে তাকে তীব্র ব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতার মধ্যে ফেলেছে বলে জানিয়েছেন তার ছেলে হান্টার বাইডেন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে প্রচারিত বিবিসির এক বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে বাবার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন হান্টার। তিনি জানান, ক্যানসারটি এখন […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রোস্টেট ক্যানসার আরও ছড়িয়ে পড়েছে। রোগটি শরীরের বিভিন্ন অংশে মেটাস্টেসিস ঘটিয়ে তাকে তীব্র ব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতার মধ্যে ফেলেছে বলে জানিয়েছেন তার ছেলে হান্টার বাইডেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে প্রচারিত বিবিসির এক বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে বাবার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন হান্টার। তিনি জানান, ক্যানসারটি এখন শুধু একটি জায়গায় সীমাবদ্ধ নেই; শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে ৮৩ বছর বয়সী সাবেক প্রেসিডেন্টকে বেশ কঠিন শারীরিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।
বাবার অসুস্থতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হান্টার বলেন, পরিবারের সদস্যদের জন্য তার এই কষ্ট দেখা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। বিশেষ করে জো বাইডেন সাধারণত নিজের শারীরিক কষ্ট নিয়ে খুব বেশি অভিযোগ করেন না। ফলে অনেক সময় তিনি কতটা কষ্টের মধ্যে রয়েছেন, সেটিও পরিবারের কাছে পুরোপুরি প্রকাশ পায় না।
জো বাইডেন হোয়াইট হাউস ছাড়ার কয়েক মাসের মধ্যেই নিজের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন। গত বছরের মে মাসে তার প্রোস্টেট ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে চার বছরের মেয়াদে বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে নানা সমালোচনার মুখে পড়লেও বাইডেন এখনও জনজীবন থেকে পুরোপুরি সরে যাননি। বিভিন্ন জাতীয় ও রাজনৈতিক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করে যাচ্ছেন তিনি।
হান্টার জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বাবার গভীর বিশ্বাসই তাকে এখনও সক্রিয় থাকতে অনুপ্রাণিত করছে। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলার আগ্রহ ধরে রেখেছেন তিনি।
এদিকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই জো বাইডেনের নতুন একটি স্মৃতিকথা প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। ‘প্রমিস মি, আমেরিকা’ শিরোনামের বইটি নিয়ে ইতোমধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান