সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

উত্তর আমেরিকা
২:৩৪ পিএম, ১ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে নিখোঁজের চার দিন পর বাংলাদেশি উবার চালকের মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে নিখোঁজের চার দিন পর আলী আহমদ নামে এক বাংলাদেশি উবার চালকের মরদেহ তাঁর নিজস্ব গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহত আলী আহমদ সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের ঘুঙ্গাদিয়া ত্রিমুখী এলাকার বাসিন্দা মরহুম আছার উদ্দিনের কনিষ্ঠ ছেলে। তিনি […]

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে নিখোঁজের চার দিন পর বাংলাদেশি উবার চালকের মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে নিখোঁজের চার দিন পর আলী আহমদ নামে এক বাংলাদেশি উবার চালকের মরদেহ তাঁর নিজস্ব গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহত আলী আহমদ সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের ঘুঙ্গাদিয়া ত্রিমুখী এলাকার বাসিন্দা মরহুম আছার উদ্দিনের কনিষ্ঠ ছেলে। তিনি আব্দুর রহিম ও ইসলাম উদ্দিনের ছোট ভাই। পরিবারের আদি নিবাস বিয়ানীবাজার পৌরসভার শ্রীধরা গ্রামে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার জুমার নামাজ ও দুপুরের খাবার শেষে উবার চালানোর জন্য বাসা থেকে বের হন আলী আহমদ। প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে রাতে তাঁর বাড়ি ফেরার কথা থাকলেও তিনি আর ফেরেননি। পরদিন শনিবার সকাল পর্যন্ত তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন।

কোথাও সন্ধান না পেয়ে একপর্যায়ে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে তাঁর নিখোঁজের বিষয়ে রিপোর্ট করা হয়। পুলিশ প্রথমে মিসিং রিপোর্ট গ্রহণ করে এবং নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর ঘটনাটিকে উচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে বলে পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

নিখোঁজের চার দিন পর মঙ্গলবার পুলিশ আলী আহমদের ব্যবহৃত নিজস্ব গাড়ির ভেতর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। তবে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বরাত দিয়ে স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ময়নাতদন্ত ও পুলিশি তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুটি দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড—সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এখন পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর কারণ বা এ ঘটনায় কারও জড়িত থাকার বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আলী আহমদ স্ত্রী ও চার সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর টেক্সাসসহ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিয়ানীবাজারের প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ