যুক্তরাষ্ট্রের ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণের এখনও প্রায় এক মাস বাকি। এরই মধ্যে অন্তত ২৯টি অঙ্গরাজ্যে ৬ লাখ ৯০ হাজারের বেশি ভোট পড়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের অংশগ্রহণের হার ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে বেড়েছে। সিএনএনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সিনেট ও গভর্নর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের ব্যালট আবেদনের হার […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণের এখনও প্রায় এক মাস বাকি। এরই মধ্যে অন্তত ২৯টি অঙ্গরাজ্যে ৬ লাখ ৯০ হাজারের বেশি ভোট পড়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের অংশগ্রহণের হার ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে বেড়েছে।
সিএনএনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সিনেট ও গভর্নর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের ব্যালট আবেদনের হার দুই বছর আগের তুলনায় বেশি। আইওয়ায় এখন পর্যন্ত ব্যালট আবেদনের ৬৭ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের, যা ২০২৪ সালের একই সময়ে ছিল ৫৪ শতাংশ। পেনসিলভানিয়ায় এই হার ৬৬ শতাংশ, আগের ৬২ শতাংশের তুলনায় বেশি। মেইনে ডেমোক্র্যাটদের আবেদনের হার ৫৭ শতাংশ, যা আগে ছিল ৫৩ শতাংশ। নর্থ ক্যারোলাইনায় এই হার ৪২ শতাংশ, দুই বছর আগে একই সময়ে যা ছিল ৩৬ শতাংশ।
তবে এসব পরিসংখ্যানকে সরাসরি নির্বাচনের ফলাফলের পূর্বাভাস হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। কারণ আগাম ভোটের ক্ষেত্রে ভোটার কোন প্রার্থী বা দলকে ভোট দিয়েছেন, তা জানা যায় না। ব্যালট গোপন থাকে; ভোট গণনার পরই প্রকৃত ফলাফল জানা যাবে।
এ ছাড়া আগাম ভোটের পরিসংখ্যান মোট ভোটারদের একটি অংশের আচরণ তুলে ধরে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগাম ভোটারদের মধ্যে বয়স্ক ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি এবং সামগ্রিক ভোটারদের তুলনায় রিপাবলিকানদের প্রতিনিধিত্ব কম। ফলে এই প্রাথমিক তথ্য থেকে নভেম্বরের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
সিএনএনের বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, আগাম ভোটের সংখ্যা ও দলীয় পরিচয়ের তথ্য রাজনৈতিক প্রচারণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এগুলো অতীতে সবসময় চূড়ান্ত নির্বাচনী ফলাফলের নির্ভরযোগ্য নির্দেশক ছিল না। ফলে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত আরও ভোট পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই চিত্র পরিবর্তিত হতে পারে।