মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও শিয়া মুসলমানদের ষষ্ঠ ইমাম জাফর সাদিক (আ.)-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইরানে ২ হাজার ৫৭৭ জন বন্দীর সাজা মওকুফ বা কমানোর অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি এজেয়ির সুপারিশের পর এই বিশেষ ক্ষমার অনুমোদন দেওয়া হয়। হিজরি পঞ্জিকা অনুযায়ী রবিউল আউয়াল মাসের ১৭ […]
ছবি: সংগৃহীত
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও শিয়া মুসলমানদের ষষ্ঠ ইমাম জাফর সাদিক (আ.)-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইরানে ২ হাজার ৫৭৭ জন বন্দীর সাজা মওকুফ বা কমানোর অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি।
ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি এজেয়ির সুপারিশের পর এই বিশেষ ক্ষমার অনুমোদন দেওয়া হয়। হিজরি পঞ্জিকা অনুযায়ী রবিউল আউয়াল মাসের ১৭ তারিখ মহানবী (সা.) ও ইমাম জাফর সাদিক (আ.)-এর জন্মবার্ষিকী পালিত হয়। এ বছর দিনটি ৩০ আগস্ট পালিত হয়েছে।
ইরানের সংবিধানের ১১০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার বিভাগের প্রধানের সুপারিশের ভিত্তিতে সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের সাজা কমানো বা সম্পূর্ণ ক্ষমা করার এখতিয়ার দেশটির সর্বোচ্চ নেতার রয়েছে।
তবে এই সাধারণ ক্ষমার আওতায় সব ধরনের অপরাধে দণ্ডিত বন্দীরা থাকছেন না। গুরুতর অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।
এর মধ্যে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র কর্মকাণ্ড, সশস্ত্র বা সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান, সশস্ত্র ডাকাতি, অস্ত্র পাচার, অপহরণ, ঘুষ ও অর্থ আত্মসাতের মতো অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিরা রয়েছেন।
ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী ২ হাজার ৫৭৭ জন বন্দীর সাজা এই বিশেষ ক্ষমার আওতায় মওকুফ বা কমানো হবে।
মহানবী (সা.) ও ইমাম জাফর সাদিক (আ.)-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইরানে প্রতিবছর এ ধরনের বিশেষ ক্ষমা দেওয়ার প্রথা রয়েছে। এবারও বিচার বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ নেতার অনুমোদনের মাধ্যমে বন্দীদের সাজা কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ